fbpx

করোনার সময়ে লিফট ব্যবহারে করণীয়

মরণঘাতী এ ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে চলছে  বিশ্বের প্রায় সব দেশে লকডাউন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশ অনুযায়ী করোনা প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। এটি একটি ভালো উপায় হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভ‍াবে সারা বিশ্ব এখন স্থবির হয়ে পড়েছে। কীভাবে এ মহামারি থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে তা নিয়ে চলছে প্রতিনিয়ত বিশ্লেষণ।

কোভিড-১৯ মানুষের মধ্যে এতটাই আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে যে, বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে নিজেকে বাঁচাতে সব রকম ব্যবস্থা নিচ্ছেন সবাই। প্রত্যেকেই সংক্রমণ এড়াতে প্রতিটি ছোট ছোট বিষয়ে সাবধানতা অবলম্বন করছেন। বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার এবং ফেরার পর জামা কাপড় পরিবর্তন করে তা ধুয়ে ফেলা ও হাত, পা, মুখ পরিষ্কার করা ইত্যাদি নিয়ম মেনে চলছেন প্রায় সকলেই। পাশাপাশি বিল্ডিংয়ের লিফট ব্যবহার করাও এড়িয়ে চলছেন অনেকে। তবে যাদের হাইরাইজ বিল্ডিংয়ে বসবাস তাদের ক্ষেত্রে লিফট ছাড়া তো কোনো উপায় থাকে না। হেঁটে উঠা বিষম দায়। এজন্য এ মহামারির সময়ে বিশেষ কিছু সাবধানতা অবলম্বন করতে হচ্ছে সবাইকে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, লিফটের বোতাম থেকেও করোনা ভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কা থাকে তাই সাবধান হোন আপনারাও। যদি কোনও সংক্রামিত ব্যক্তি তার আঙুল দিয়ে লিফটের বোতাম ‘প্রেস’করে তাহলে তার শরীরে থাকা ভাইরাস বোতামের গায়ে থেকে যায়। তারপরে যদি কোনও সুস্থ ব্যক্তি সেই বোতাম ’প্রেস’ করেন তাহলে ভাইরাসটি তার শরীরে ঢুকে যায়।

এভাবেই লিফট থেকে সংক্রমণ ছড়াতে পারে। জেন নিন লিফট থেকে করোনা সংক্রমণ এড়াতে কী কী সতর্কতা অবলম্বন করবেন। লিফট ব্যবহারের ক্ষেত্রে যে সাবধানতা মেনে চলবেন…

১) লিফটের গায়ে হেলান দিয়ে দাঁড়াবেন না।

২) লিফটে ঢোকার আগে অবশ্যই মুখে মাস্ক পরে থাকবেন।

৩) লিফটের বোতাম টেপার ক্ষেত্রে টুথপিক, ইয়ারবাড বা টিস্যু পেপার ব্যবহার করুন।

৪) যে জিনিসটি বোতাম টেপার ক্ষেত্রে ব্যবহার করেছেন সেটা যাতে আপনার শরীরের কোনও অংশে না লাগে, সেদিকে খেয়াল রাখুন।

৫) এরপর সেটি ঢাকনাযুক্ত ডাস্টবিনে ফেলে দিন।

৬) তারপর হাত সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিন অথবা স্যানিটাইজার লাগান।

৭) লিফট ব্যবহারের পাশাপাশি আপনি যদি সিঁড়ি ব্যবহার করেন সেক্ষেত্রেও কিছু নিয়ম বিধি মেনে চলা আবশ্যক।

৮) সিঁড়ি ব্যবহারের ক্ষেত্রে খেয়াল রাখবেন যাতে সিঁড়ির রেলিংগুলি যেন আপনার দ্বারা কোনওভাবে স্পর্শ না হয়। কারণ, অজান্তে কোনও কভিড-১৯ দ্বারা আক্রান্ত ব্যক্তি রেলিং স্পর্শ করে থাকলে তা থেকে আপনিও সংক্রামিত হতে পারেন।

৯) ভুলবশত আপনি যদি রেলিং স্পর্শ করেন তবে অন্য কোথাও স্পর্শ না করে তৎক্ষণাৎ সাবান দিয়ে ভালো করে হাত ধুয়ে নিন।

 

Facebook Comments