fbpx

চীনে ১০ জনের ৯ জনই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন

বিশ্বে এ পর্যন্ত যত মানুষ আক্রান্ত হয়েছে, তার প্রায় এক-চতুর্থাংশ সেরে উঠেছে। সবচেয়ে বেশি মানুষ সেরে উঠেছে চীনে, ৯২ শতাংশ। এরপর আছে দক্ষিণ কোরিয়া, ৪৯ শতাংশ। ইরানেও প্রায় এক–তৃতীয়াংশ মানুষ সেরে উঠেছে। ইউরোপের সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত দেশ ইতালি, স্পেন, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে সেই তুলনায় সুস্থ হওয়া মানুষের হার খুবই কম। বেশি আক্রান্ত দেশগুলোর মধ্যে সুস্থতার হার সবচেয়ে কম যুক্তরাষ্ট্রে, ২ শতাংশের কিছুটা বেশি।

চীন ইতিমধ্যে বৈশ্বিক এই মহামারি প্রায় কাটিয়ে উঠেছে এবং দক্ষিণ কোরিয়া মোটামুটি সামলে নিয়েছে। কিন্তু ইউরোপের দেশগুলো এবং যুক্তরাষ্ট্রে দ্রুত সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। নতুন আক্রান্তের সংখ্যা কমিয়ে আনতে পারলে সেখানে সুস্থ হওয়া মানুষের হারও দ্রুত বাড়বে বলে আশা করা যায়।

তবে আক্রান্তদের মধ্যে কাদের সুস্থ বলা হবে, তা নিয়েও ভিন্নমত আছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যাদের সংক্রমণ মৃদু তারা কিছু দিন ভোগার পর পরীক্ষায় ফলাফল নেতিবাচক আসছে এবং তারা সুস্থ বোধ করছে। তখন তাদের সুস্থ হিসেবে হিসাব করা হচ্ছে। আর গুরুতর অবস্থায় পৌঁছে গিয়েও চিকিৎসায় সেরে উঠছেন ঠিকই, কিন্তু তাদের ভুগতে হতে পারে। এর মধ্যে যাদের আবার আগের অসুস্থতা যেমন ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, ক্যানসার, উচ্চ রক্তচাপ ছিল; তাদের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি জটিল হতে পারে। জীবন রক্ষা পেলেও তাদের ফুসফুসের স্থায়ী ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।

জার্মানির বার্লিন ও মিউনিখের চার বিশেষজ্ঞের গবেষণা অনুযায়ী, যাদের সংক্রমণ মৃদু তারা অসুস্থ বোধ করার পর থেকে মোটামুটি ১০ দিনের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠছে। চীনের উহানের চার চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণ বলছে, শ্বাসকষ্ট, গলাব্যথা বা কাশির মতো উপসর্গগুলো বিদায় নেওয়ার পর আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে দুই সপ্তাহ পর্যন্ত ভাইরাস থাকতে পারে।

Facebook Comments