fbpx

শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে নড়াইল জেলায় আই.সি.টি বিভাগের পক্ষ থেকে ফ্রিল্যান্সারদেরকে ল্যাপটপ উপহার দিলেন জেলা প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিনিধি ॥ সরকারের তথ্য ও গণযোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন “লার্নিং এন্ড আর্নিং ডেভলপমেন্ট” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় অনলাইন প্রফেশনাল আউট সোর্সিং প্রশিক্ষণে সফল ফ্রিল্যান্সারদের অনলাইন মার্কেটপ্লেস থেকে সর্বোচ্চ উপার্জনকারী প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে ল্যাপটপ বিতরণ করা হয়েছে। 

সোমবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ট পুত্র শেখ রাসেলের জন্ম দিবস উপলক্ষে জেলার ১০জন সফল ফ্রিল্যান্সার উপার্জনকারীর মধ্যে এই ল্যাপটপ বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার জনাব, মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, পিপিএম (বার), অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ ফকরুল হাসান, জেলা আইসিটি কর্মকর্তা জয়ন্ত মণ্ডল, প্রোজেক্ট কো-ডিনেটর মাজেদুল ইসলামসহ পুরস্কার প্রাপ্ত ফ্রিল্যান্সারগণ। 

জেলা আইসিটি কর্মকর্তা জয়ন্ত মণ্ডল জানান, করোনাকালীন সময়ে শিক্ষার্থীদের আয়বর্ধনে মনোযোগী করে আয়ের সুযোগ করে দেয়ার লক্ষে সরকাররের নেয়া উদ্যোগে জেলার ২শত ৬০জন ফ্রিল্যান্সার ২০০ঘন্টা করে প্রশিক্ষণের সুযোগ পান। ১জন ট্রেইনার ৪০জনকে এই প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করেন। ডিজিটাল মার্কেটিং, গ্রাফিক্স, ওয়েভ ডিজাইন ডেভলপমেন্ট এর উপর প্রশিক্ষণ গ্রহণ শেষে ফ্রিল্যান্সাররা তাদের আয় শুরু করেন। ফ্রিল্যান্সারদের কাজে উৎসাহ বৃদ্ধিতে সরকার সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী ২৬জনকে ল্যাপ্টপ উপহার দেয়ার সিদ্ধা ন্ত নেয়। এর  মধ্যে প্রথম পর্যায়ে ১০জনকে ১০টি ল্যাপ্টপ বিতরণ করা হয়। 

ইজি টেকনোলজি লিমিটেডের প্রোজেক্ট কো-ডিনেটর মাজেদুল ইসলাম জানান- উপযুক্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সারদের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই সরকারের এই প্রচেষ্ঠা যা ইতিবাচক হিসেবে দৃশ্যমান। 

তিনি আরো জানান- জেলার ২শত ৬০ জনের মধ্যে থেকে সর্বোচ্চ উপার্জনকারী ১০জনকে উৎসাহ প্রদানে এই ল্যাপটপ প্রদান প্রশংসার দাবী রাখে। 

নড়াইল জেলার সর্বোচ্চ উপার্জনকারী ফ্রিল্যান্সার খাইরুল আলম জানান- এই প্রশিক্ষণ গ্রহণ শেষে নিজেকে যোগ্য করে গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছি বিধায় মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে আমি নিজে ১২হাজার ২শত ডলার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করেছি। যা অভাবনীয় এবং অবিশ্বাস্য। 

তিনি জানান, জেলার আরো যেসব ফ্রিল্যান্সাররা উপার্জনের লক্ষে কাজ করে ইতিমধ্যে ভাল টাকা উপার্জন করে তাদের পরিবারের জন্য আর্শির্বাদ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। 

কৈশিক জানান- আমার উপার্জনের মাধ্যমে পুরো পরিবারে স্বচ্ছলতা এসেছে। আমি ফ্যিল্যান্সার হিসেবে নিজেকে যোগ্য করে তোলায় আমি এই পরিমান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সক্ষম হয়েছি। 

নড়াইল সরকারী কলেজের  অনার্স ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী মেহেদী আরো জানান- ইংরেজীতে দক্ষতা অর্জন এই ব্যবসার মুলধন। যে যতভাল ইংরেজী বলতে পারবে এবং কাজের পরিস্থিতি বুঝতে পারবে সেই ভাল ফলাফর অর্জনে সক্ষম হবে। আজ স্বীকৃতি স্বরুপ ল্যাপ্টপ পাওয়াতে আমি খুশি। 

ফ্রিল্যান্সার আমিত জানান- আমি এই প্রশিক্ষণ গ্রহণ শেষে ইতিমধ্যে বিপুল পরিমান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করেছি। তাছাড়া আমাদের সাথে প্রশিক্ষণ গ্রহনকারী সকলেই কমবেশি ভাল উপার্জনের মাধ্যমে পরিবারকে স্বচ্ছলতায় ফিরিয়ে আনতে পেরেছে যা ইতিবাচক।

Facebook Comments