fbpx

বিস্ময়কর গুণাগুণ ড্রাগন ফলের

একটি বিদেশি ফল ড্রাগন। ইদানিং সব জায়গাতেই পাওয়া যায়। দেখতে কিছুটা ডিম্বাকৃতির উজ্জ্বল গোলাপি রঙের। তবে এর স্বাস্থ্য উপকারিতা শুনলে চমকে উঠবেন সবাই। এ ফলটি বিগত কয়েক বছর ধরে চাষ করা হচ্ছে আমাদের দেশেও। বেশ সাড়াও পাওয়া যাচ্ছে এই ফল চাষে। ড্রাগন ফল সুস্বাদু, লোভনীয় এবং পুষ্টিগুণে ভরপুর।   এই ফলের খোসা নরম, কাটলে ভিতরটা দেখতে লাল বা সাদা রঙের হয়ে থাকে। একটি ড্রাগন ফলে ৬০ ক্যালরি এবং প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন সি, ওমেগা ৩ ও ওমেগা ৯ থাকে। এই ফলে আছে বিটা ক্যারোটিন ও লাইকোপিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও। বিটা ক্যারোটিন শরীরে ভিটামিন এ-তে রূপান্তরিত হয়ে ত্বক, চোখ ও ইমিউন সিস্টেমের উন্নতি করে।

হার্ট ভালো রাখে: এই ফলের বীজে রয়েছে ওমেগা ৩ ও ওমেগা ৯ ফ্যাটি অ্যাসিড যা হার্ট ভালো রাখতে সহায়তা করে। নিউ ইয়র্কের পুষ্টিবিদ ও দ্য স্মল চেঞ্জ ডায়েটের লেখক কেরি গানস বলেন, ড্রাগন ফলের ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে প্রদাহনাশক উপাদান রয়েছে। ঠিক এই কারণে এটি খেলে হার্টের রোগের ঝুঁকি ও জয়েন্টের ব্যথা অনেকটাই কমে যায়। এছাড়া বিষণ্নতা কমাতেও সাহায্য করে।

কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ: যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা আছে তারা এই ফল খেতে পারেন। কারণ একটি ড্রাগন ফলে প্রায় সাত গ্রাম ফাইবার আছে, যা দৈনিক সুপারিশকৃত পরিমাণের চারভাগের প্রায় একভাগ। এছাড়াও এটি অন্ত্রের বর্জ্য দূরীকরণে সাহায্য করে।

রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে: আমাদের সবারই কমবেশি আয়রনের ঘাটতি থাকে। ড্রাগন ফলটি বেশ পরিচিত আয়রনের জন্য। ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের এই সমস্যা বেশি দেখা দেয়। কিন্তু আমরা অধিকাংশ আয়রন গ্রহণ করি মাংস, মাছ, বাদাম ও ডাল জাতীয় খাবার থেকে। উচ্চ পরিমাণে আয়রন পাওয়া যায় অল্প কিছু ফলে। তার মধ্যে একটি হলো ড্রাগন ফল। আয়রন প্রয়োজন হিমোগ্লোবিন উৎপাদনের জন্য, যা শরীরের টিস্যুতে অক্সিজেন পৌঁছাতে লোহিত রক্তকণিকাকে সাহায্য করে।

চুলপড়া কমায়: আমাদের চুলপড়া সমস্যায় সবাইকে কমবেশি পড়তে হয়। আর আয়রন ঘাটতি হলেই চুলপড়া সমস্যায় ভুগতে হয়। তবে নিয়মিত ড্রাগন ফল খেলে চুলপড়া অনেকাংশেই কমে যায়।

Facebook Comments