fbpx

চামড়াখাত নিয়ে এবারও শঙ্কা

ব্যবসায়ীরা গত বছর একেকটি গরুর মৌসুমি কাঁচা চামড়া মাত্র ২০০ থেকে ৩০০ টাকায় কিনেছেন । বেশিরভাগ এলাকায় ছাগলের চামড়া বিক্রিই হয়নি। এরপর আবার সেই চামড়া আড়তে নিয়ে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা বড় বিপদে পড়েছিলেন। প্রতিটি গরুর চামড়া ১০০ টাকা, এমনকি ছাগলের চামড়া ১০ টাকায়ও বিক্রি করতে হয়েছিল অনেককে।

ওই সময় চামড়া নিতে আড়তদারদের অনেক অনুরোধ করেন লোকসানে থাকা মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। কিন্তু তাতে তেমন কাজ হয়নি। শেষ পর্যন্ত রাগে-দুঃখে কেউ কেউ সড়কের ওপর চামড়া ফেলে বাড়ি ফিরে যান। এসব ঘটনা ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন চামড়া আড়তেই ঘটেছে।

আসন্ন কোরবানি ঈদ নিয়ে চামড়া শিল্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ঈদেও এমন পরিস্থিতির শঙ্কা উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না। বরং এবার সেই আশঙ্কা আরও বেশি রয়ে গেছে বলেও মত দিয়েছেন অনেকে।এর কারণ হিসেবে ট্যানারি মালিকরা বলছেন, চলতি মৌসুমে করোনার কারণে চাহিদা না থাকায় ট্যানারিগুলোতে এখনও ৫০০ থেকে ৬০০ কোটি টাকার চামড়া জমে রয়েছে। যদিও রফতানি বাজার কিছুটা বেড়েছে। তারপরও পরিস্থিতি উন্নতির দিকে যেতে আরও সময় লাগবে।

২০১৯ সাল থেকে করোনার কারণে চায়নায় একই সময়ে একশ কন্টেইনারের বেশি অর্ডার বাতিল হয়েছিল। সে চামড়া বিভিন্ন উপায়ে বিক্রির চেষ্টা করা হয়েছে পরে। কিন্তু এর পরপরই ইউরোপের বাজারেও করোনা ছড়িয়ে পড়ে। তখন অনেক চামড়া কম দামে বিক্রি হয়েছে। লোকসান দিয়েছেন ট্যানারি মালিকরা।’

এদিকে যারা আড়তে কাঁচা চামড়া কেনেন, তাদের সংগঠনের অভিযোগ ট্যানারি মালিকদের বিরুদ্ধে। ওই সংগঠনের ভাষ্য, বাড়তি চামড়া মজুতের অজুহাতে তারা বাজারে বিপর্যয় তৈরি করছেন। আসন্ন ঈদের পরে চামড়ার বাজার কেমন হবে এ প্রশ্নের জবাবে এ ব্যবসায়ীরাও শঙ্কার কথা বলেন।

 

Facebook Comments