fbpx

ডায়াবেটিকদের জন্য চিনাবাদাম খাওয়ার উপকারিতা

ডায়াবেটিস’য়ে আক্রান্ত একজন ব্যক্তি ও তার পরিবারকে রোগীর খাদ্যাভ্যাস নিয়ে প্রচণ্ড সচেতন থাকতে হয়। যেকোনো কিছু খাওয়া আগেই ভাবা উচিত রক্তে শর্করার মাত্রার ওপর তার প্রভাব কেমন হবে।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে ডায়াবেটিস ও অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা সাধারণত চিনাবাদাম এড়িয়ে যান। এর পেছনে কারণ হতে পারে, চিনাবাদাম খাওয়া থেকে কোলেস্টেরল বেড়ে যায়, ওজন বেড়ে যায় এমন ভুল ধারণা।

ডায়াবেটিসের রোগীর জন্য বাদাম বিশেষ উপকারী। স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের প্রতিবেদন অবলম্বনের জানান হল বাদামের সেই উপকারী দিকগুলো সম্পর্কে।

বাদামের সাধারণ পুষ্টিগুণ

কাজুবাদাম, কাঠবাদামের প্রায় সমপরিমাণ পুষ্টিগুণ মেলে চিনাবাদামে। আর খরচ কয়েকগুন কম। সব বাদামেই থাকে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট’, ভোজ্য আঁশ, আমিষ, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম ইত্যাদি পুষ্টিকর উপাদান।

শুধু ডায়াবেটিসের রোগীর জন্যই নয়, হৃদরোগের ঝুঁকি, উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল এবং প্রদাহের ঝুঁকি কমাতেও বাদাম উপকারী।

খাদ্যাভ্যাসে বাদাম রাখার পন্থা

বাদাম বিভিন্ন খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন। সালাদের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন, ‘পিনাট বাটার’ খেতে পারেন। সবচাইতে সহজ উপায় হবে প্রতিদিন একমুঠ পরিমাণ বাদাম খাওয়া। কাঁচা চিনাবাদাম খেতে পারলে ভালো, ভাজা বাদামেও উপকার মেলে।

তবে পরিমাণের দিকে অবশ্যই নজর রাখতে হবে। অতিরিক্ত বাদাম খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দিতে পারে, বেড়ে যেতে পারে ওজনও।

ডায়াবেটিকদের জন্য উপকারী দিক

চিনাবাদামের ‘গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (জিআই)’য়ের মান কম। এর অর্থ হল চিনাবাদাম খাওয়ার কারণে রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ করে বেড়ে যায় না।

ডায়াবেটিসের রোগীদের এমন খাবার খাওয়া অত্যন্ত জরুরি। আর ‘গ্লাইসেমিক ইনডেক্স’য়ের মান থেকে জানা যায় একটি নির্দিষ্ট খাবার কত দ্রুত রক্তে শর্করার মান বাড়ায়। মান যত কম হবে, রক্তে শর্করার মাত্রা ওই খাবার ততই ধীর গতি বাড়াবে।

আমিষ ও ভোজ্য আঁশের উৎকৃষ্ট উৎস চিনাবাদাম, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক। যারা পুরোপুরি সুস্থ তারা নিয়মিত পরিমাণ মতো বাদাম খেলে তা ডায়বেটিসের ঝুঁকি কমাতেও ভূমিকা রাখে।

 

Facebook Comments