fbpx

বার্সাতেই থাকছেন মেসি

চুক্তির মারপ্যাঁচে বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসিকে আটকে রাখলো বার্সেলোনা।

‘এখন আমি বাধ্য হয়ে খেলব এই মৌসুম (২০২০-২১)। না হয় আমাকে ক্লাব ছাড়তে ৭০০ মিলিয়ন রিলিজ ক্লজ পরিশোধ করতে হবে, যেটা একেবারেই অসম্ভব বিষয়’- লিওনেল মেসির এ কথায় পরিষ্কার, তিনি সত্যিই এ মৌসুমে ক্লাব ছাড়তে চেয়েছিলেন, যেতে চেয়েছিলেন অন্য কোনো ক্লাবে।

২০২০-২১ মৌসুমে বার্সেলোনায় থেকে যাওয়ার বহুল প্রতীক্ষিত খবরটি গোল ডটকমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের মুখেই জানালেন লিওনেল মেসি। তবে এ থেকে যাওয়াটা যে শুধুমাত্র চুক্তির কোটা পূরণের জন্য তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

ক্লাব ছাড়ার বিষয়ে মেসি যা ভেবেছিলেন হয়েছে উল্টো। তার মতে, আমি ভেবেছিলাম এবং নিশ্চিত ছিলাম যে, ইচ্ছে করলেই ক্লাব ছাড়তে পারি। সভাপতি সবসময় বলত, মৌসুম শেষে আমি সিদ্ধান্ত নিতে পারব যে আমি থাকব না চলে যাব।

ইচ্ছে থাকার পরও প্রিয় ক্লাব ছেড়ে যাওয়া হলো না। আর ক্লাবের সঙ্গে আইনি লড়াইও করতে অনিচ্ছুক ছিলেন মেসি। থাকার সিদ্ধান্তটি মূলত নেওয়া হয়েছে এ দৃষ্টিকোণ থেকেই।

মেসি বলেন, প্রিয় ক্লাবের বিপক্ষে কখনোই আমি আইনি লড়াইয়ে যাব না। এ কারণেই মূলত আমি বার্সেলোনায় থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

এর আগে গত সপ্তাহে ৩৩ বছর বয়সী মেসি বার্সার সঙ্গে ২০ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দেন। এরপর থেকে নতুন ঠিকানা নিয়ে চলছিল নানা কল্পনা-জল্পনা। তবে কাতালানরা তাকে ছাড়তে নারাজ ছিল। অন্য ক্লাব তার সঙ্গে চুক্তি করলে রিলিজ ক্লজ হিসেবে বার্সাকে দিতে হতো ৭০০ মিলিয়ন ইউরো।

গত কয়েকদিন ধরে মনের মধ্যে চলা ঝড়ের ব্যাপারে মেসির খোলামেলা স্বীকারোক্তি, আমি একা অনুভব করিনি। কিছু মানুষ ছিলো যারা আমাকে সমর্থন দিয়ে গেছে। তবে কিছু কিছু ব্যাপার আমাকে খুব কষ্ট দিয়েছে। বার্সেলোনার প্রতি আমার দায়িত্ব-ভালোবাসা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। আমি এইরকম প্রশ্ন আশা করিনি। তবে এটা আমাকে সত্যিকারের মানুষ চিনতে সাহায্য করেছে।

 

Facebook Comments